Posts

নতুন রূপে "লাগান" ----ইত্তেফাক

Image
দৈনিক ইত্তেফাক   ২৪ জুন ২০১৭

তোমার জন্য আজও শিউলি ফোটে-কবিতা

Image
সানজিদা নাহার শিখা Sanjida Nahar Shikha                      রেজাউল হক তোমার জন্য আজও শিউলি ফোটে ; তোমার জন্য আজও বকুল গন্ধ বিলায় ; আজও পুকুর পাড়ে আমি বসে থাকি শুন্য হাতে , একজোড়া বালিহাঁস বার বার ফিরে চায় । এক ঝাঁক চোখ আজও খুঁজে ফেরে তোমায় ; তোমার ছড়ানো আভার দীর্ঘ সরল পরশ যেন চারিদিকের শান্ত মুর্ছনার সুললিত সুর , মুহুর্তেই থেমে যায় শত শতাব্দীর জমানো আক্রোশ । কেন তুমি নেই ?   কেন আর নুপুরের তীক্ষ্ণ শব্দে শিশিরের ঘুম ভাঙ্গে না ? কেন দ্বীপ নিভে যায় ? কেন এক জোড়া অশ্রুসজল চোখের জবাব মেলে না । সেইতো ছিলে তুমি , আলতা রাঙ্গা দুপায়ে স্নিগ্ধ সবুজ মাঠ পেরিয়ে উঠোনের দরজার পাশে মেহেদী পাতার লাল টুকটুক রঙ , গোলাপ ফুলের নকশা তোমার কোমল হাতে ফুটে উঠতো অনায়াসে । বইয়ের পাতার সাথে তোমার কত কথা হতো , কত কবিতা , কত ছন্দ আর গানের পাখি ছিলে তুমি ; কারও স্ব...

নতুন রূপে "লাগান"- প্রথম আলো

Image
দৈনিক প্রথম আলো ২২ জুন ২০১৭ নতুন রূপে "লাগান" ভারতের নামী অভিনেতা আমির খানের খুব বিখ্যাত একটি সিনেমা "লাগান" দেখেছিলাম বেশ কয়েক বছর আগে। সেখানে জমি লাগান নেওয়ার জন্য কৃষকদের নির্দিষ্ট হারে খাজনা দিতে হতো। যার মাত্রা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পেতে থাকে। অনেকটা চক্রবৃদ্ধি সুদের মত। খাজনা নামের লাগামহীন সুদের অর্থ পরিশোধ কৃষকদের জীবনকে বিপর্যস্ত করে দিতো। আমাদের বাংলাদেশেও এক সময় "লাগান" শব্দটি পররিচিত ছিলো। কালক্রমে "লাগান" শব্দের রূপভেদ ঘটে, আর তা নতুন রূপে সমাজে লুকিয়ে যায়। আমরা মনে করি "লাগান" এর মাধ্যমে জমিদার-ইংরেজদের সেই কৃষক-শ্রমিক শোষণ এখন আর নেই। কিন্তু এর নতুন রূপটাকে আমরা চিনতে প্রতিনিয়ত ভুল করি। যার কারনে এটি ছড়িয়ে পড়ছে দেশের আনাচে কানাচে। যেমনটা দেখলাম রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার কয়েকটি গ্রামে। এখানকার নিম্নবিত্ত কৃষকরা বোরো এবং আউশ ধানের মৌসুমে অসাভাবিক চড়া সুদে অপর কোন উচ্চ কিংবা মধ্যবিত্তের কাছ থেকে অর্থ ধার করে থাকে। এই অর্থ সহজপ্রাপ্য এবং ঝামেলাহীন বলে কৃষকরা ব্যাংক বা পল্লী উন্নয়ন বোর্ড...

বিসিএস চিন্তা: পিএসসি সমীপে- প্রথম আলো

Image
দৈনিক প্রথম আলো ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিসিএস চিন্তা: পিএসসি সমীপে কিছু দিন আগে প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতার মতামত সেশনে সাবেক মন্ত্রীপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার ৩৮তম থেকে পরবর্তী বিসিএস পরীক্ষার লিখিত অংশে নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। ৯০০ নম্বরের পরিবর্তে ৫০০ নম্বরে পরীক্ষা নেওয়া , ইংরেজি বিষয়ে নম্বর বৃদ্ধিকরন ইত্যাদি বিষয়ের বিপরীতে তিনি নিজস্ব প্রস্তাবনা দিয়েছেন। তিনিও ইংরেজি বিষয়ে নম্বর বৃদ্ধির কথা বলেছেন এবং সম্ভব হলে সম্পুর্ন পরীক্ষা পদ্ধতি ইংরেজি মাধ্যমে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু বি পিএসসি (বাংলা দেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন) কর্তৃক গৃহীত বিগত বিসিএস লিখিত পরীক্ষাসমূহের প্রশ্নপত্র পর্যবেক্ষন করলে দেখা যায় - ৩৫ ও ৩৬ তম লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সম্পূর্ন বাংলা ভাষায় করা হয়েছে ( ইংরেজি বিষয় ব্যতিত)। এমনকি পেশাগত ক্যাডারের (সাবজেক্টিভ) প্রশ্নপত্রও বাংলায় করা হয়েছে। অথচ প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিকাংশ বিষয় (সাবজেক্টস) ইংরেজি মাধ্যমে অধ্যয়ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর তাই পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঁচ বছর ইংরেজি মাধ্যমে পড়ার পর নিজ সাবজেক্টের বাংলা ...